প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় একটি ‘ধর্মভিত্তিক দলের’ অনুগতদের বসানো হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এতে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের জন্য জনগণ প্রস্তুত, তবে তারা আর আগের মতো ডামি নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি চায় না।’ নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন পক্ষপাতদুষ্ট থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না বলেই মনে করেন রিজভী।
শনিবার সকালে ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন দলের এই নেতা। তিনি বলেন, ‘নতুন ইস্যু তৈরি করে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। ভ্রান্ত কথা বলে, মিথ্যা পরিসংখ্যান দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।’
‘শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বিএনপি ১০টির বেশি আসন পাবে না। কিন্তু গত ১৫ বছর কারা আপসহীন লড়াই করেছে জনগণ তা জানে। ধানের শীষ তাদের প্রিয় প্রতীক, মিথ্যা প্রচার দিয়ে তা দুর্বল করা যাবে না’, যোগ করেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভীর অভিযোগ, শেখ হাসিনা সরকার প্রশাসন, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। জনগণ তাদের প্রতিহত করেছে এবং তারা নতুন ফ্যাসিবাদকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
‘নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বেই অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার দেশের জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে।’
‘জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করতে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ সব অন্ধকার দূর করে জাতীয়তাবাদের পতাকা উঁচু রাখবে’, বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।


