আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মেধাস্বত্বের অংশীদারিত্ব বাড়াতে দেশের জনমিতিক লভ্যাংশ বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মেধাস্বত্বের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করতে দেশের জনমিতিক লভ্যাংশ বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টকে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী তরুণ। গবেষণার ক্ষেত্রে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।’
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মিলনায়তনে ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মেধাস্বত্ব সুরক্ষাকে সরকার গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মেধাস্বত্ব তালিকা দীর্ঘ করতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার দেওয়া এবং উদ্ভাবনী মেলার আয়োজন করা প্রয়োজন।’ এ কাজে সরকারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, তরুণদের উদ্ভাবনী প্রতিভাকে কাজে লাগাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘গবেষণা ও উন্নয়ন’ খাতে গুরুত্ব বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি জানান, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষাখাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করছে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের অধ্যাপক মহিদুস সামাদ খান।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফরহাদ আনোয়ার, ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মাসুমা হাবিব এবং সচিব মো. ফখরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


