বিদেশের মুখাপেক্ষী না হয়ে দেশের নিজস্ব অর্থায়নেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু। তিনি বলেন, সেই লক্ষ্যেই সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
একই অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী অ্যানি জানিয়েছেন, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে সরকার দ্রুত এগোচ্ছে। তিনি বলেন, খুব কম সময়ের মধ্যেই তিস্তা মেগাপ্রকল্প দৃশ্যমান করতে সরকার কাজ করছে।
শুক্রবার দুপুরে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার মধ্যবর্তী ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় দুই মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদীকে ঘিরে উত্তরাঞ্চলের লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, সেচ এবং নদীভাঙনের মতো সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। সরকার সে জন্যই একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তিস্তা অববাহিকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু তিস্তা-তীরবর্তী মানুষের নয়, এটি সারা দেশের মানুষের দুঃখ। পরিকল্পিত বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই দুঃখকে আনন্দে পরিণত করা হবে।’
ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনায় রেখেই প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ব্যবস্থা করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এর আগে সকালে নীলফামারী থেকে সড়কপথে ডালিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী তিস্তা সেচ প্রকল্পের চাঁদেরহাট, বগুলাগাড়ী ও দুন্দীবাড়ি এলাকার সেচ খাল এবং নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা এলাকায় চারালকাঠা নদী পরিদর্শন করেন।


