দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় আগাম জাতের ফুলকপি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। গত বছরের তুলনায় এ বছর সেখানে প্রায় দ্বিগুণ জমিতে আগাম ফুলকপির আবাদ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আগাম ফুলকপির ব্যাপক আবাদ দেখা গেছে। সাতৌর ইউনিয়নের প্রাণনগর, দোলুয়া ও ২৫ মাইল এলাকা, ভোগনগর ইউনিয়নের ভাবুকী ও বরতলী গ্রাম এবং নিজপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ব্লকে এই আবাদ ছড়িয়ে পড়েছে।
বর্তমানে খেতে সেচ দেওয়া, সার প্রয়োগ ও আগাছা পরিষ্কারের কাজে ব্যস্ত চাষিরা। মাঠে চাষ হওয়া প্রধান জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে রত্না বা রত্নাশা ৪৫ দিনী জাত, হোয়াইট মার্বেল ও নিন্জা।
দোলুয়া এলাকার কৃষক রহিম উদ্দিন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী ২০ থেকে ২২ দিনের মধ্যেই ফুলকপি বাজারজাত করা সম্ভব হবে এবং ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তিনি।
২৫ মাইল এলাকার কৃষক আব্দুল জব্বার চার বিঘা জমিতে বাড়তি পরিশ্রম ও খরচ করে আগাম ফুলকপি চাষ করেছেন। সাধারণ সময়ের তুলনায় আগে বাজারে সবজি তুলতে পারলে বেশি লাভ পাওয়া যায় বলে জানান কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বীরগঞ্জে ফুলকপি চাষের মোট লক্ষ্যমাত্রা ৫৯৩ হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই ১৭০ হেক্টর জমিতে আগাম ফুলকপি চাষ সম্পন্ন হয়েছে, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৯২ হেক্টর।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার, সেচ প্রয়োগ ও বালাই ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন। মাঠের সার্বিক অবস্থা সন্তোষজনক থাকায় ভালো ফলন ও অর্থনৈতিক লাভের আশা করছেন তিনি।


