একই বিষয়ে রিট খারিজের পর তথ্য গোপন করে আবার রিট করার কারণে রিট আবেদনকারী ও তার আইনজীবীর কাছে এর ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।
রিট আবেদনকারীকে ৫০ লাখ টাকা ও আইনজীবীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা কেন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে দুইজনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
রিটকারীকে কেন শাস্তি দেওয়া হবে না এবং রিট আবেদনকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্যে তার বিষয়টি কেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে পাঠানো হবে না, তাও জানতে চেয়েছে আদালত।
আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান। তিনি জানান, এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্যে আগামী ২৫ আগস্ট দিন ধার্য হয়েছে। ওই দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর এবং বিচারপতি এসএম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আনোয়ার হোসেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, রিট আবেদনকারী মো. রফিকুল ইসলামকে ৫০ লাখ টাকা ও আইনজীবী আনোয়ার হোসেনকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা কেন করা হবে না, এ বিষয়ে দুজনকে কারণ দর্শাতে বলেছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে দুজনকে ২৫ আগস্টের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অর্থঋণ আদালতের দেওয়া এক আদেশের বৈধতা নিয়ে আমান ট্রেডিং করপোরেশনের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পার্টনার মো. রফিকুল ইসলাম রিট করেন। একই আদেশের বৈধতা নিয়ে আরেকটি রিট করেন তিনি। প্রথম রিটটি অপর একটি দ্বৈত বেঞ্চে খারিজ হয়।
দ্বিতীয় রিটের রুল শুনানিতে একই বিষয়ে পৃথক রিট ও তথ্য গোপনের বিষয়টি গত ২৯ জুলাই আদালতে তুলে ধরেন প্রাইম ব্যাংকের আইনজীবী ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের আদেশে রিটকারী ও আইনজীবী আদালতে হাজির হন। আইনজীবী স্বীকার করেছেন যে, তিনি আরও একটি রিটের কথা জানেন।


