ঢাকা-৮ আসনের মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্রে সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় দৈনিক জনকণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুর রহিমসহ আরও বেশ কয়েকজন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর পেছনে ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি ও ভোটগ্রহণের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের ওই কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় এবং তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।
জনকণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুর রহিম বলেন, ‘সোয়া বারোটার দিকে আমি যখন কেন্দ্রের উপর তলায় উঠতে যাই, তখন দেখি জটলা বাধা সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজন নারী। আমাকে দেখেই হাসান নামের এক পুলিশ সদস্য পেছন থেকে এসে টেনে ধরেন। সঙ্গে সঙ্গে আরও দুজন নারী এসে আমাকে বাধা দেন।’
‘সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও পুলিশ সদস্য হাসান জানান- সাংবাদিকরা মাঠে থাকবে উপরে উঠা যাবে না। এরপর তিনি আমাকে টেনে নামাতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে মহিলা দলের এক নেত্রীও আমাকে ধাক্কা দিতে থাকে। তারা আমাকে এমন নগ্নভাবে টেনে ধরেন ভাবতেও পারছি না’, যোগ করেন তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় এই কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস। ভোট দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে। ভোট সুষ্ঠু না হওয়ার মত এখন পর্যন্ত কোনো পরিস্থিতি দেখি না।’
ভোটে ইঞ্জিনিয়ারিং হলে মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।


