ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকে কিয়েভের অংশগ্রহণ চায় ইউরোপীয় জোট

ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকে কিয়েভের অংশগ্রহণ চায় ইউরোপীয় জোট
কিয়ার স্টার্মার (বামে), ভলোদিমির জেলেনস্কি (মাঝে) এবং ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ছবি: ইউএনবি/এপি
Advertisement
Advertisement

ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে কোনো শান্তি আলোচনা মেনে নেওয়া হবে না। এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনকে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা না হলে মস্কোর সঙ্গে যে কোনো চুক্তি অকার্যকর হবে।’

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আগামী ১৫ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ইউরোপীয় জোটও বহুল প্রতীক্ষিত ওই বৈঠকে কিয়েভকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড এবং ইউরোপীয় কমিশনের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কোনো শান্তি আলোচনা হতে পারে না। শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে ইউক্রেনের মতামতকেও প্রাধান্য দিতে হবে।’

অবশ্য ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, তিনি প্রথমে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন এবং পরে ইউক্রেনকেও এ বৈঠকে যুক্ত করা হবে। তবে সে সম্ভাবনা এখন ক্ষীণ।

সে সময় ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, নিজেদের মধ্যে ‘ভূখণ্ড বিনিময়ের’ মাধ্যমে মস্কো-কিয়েভ শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। ট্রাম্পের এ প্রস্তাবকে ‘বিতর্কিত’ আখ্যা দেন জেলেনস্কি। এর তীব্র বিরোধিতা করে তিনি বলেন, ‘আমরা রাশিয়াকে তাদের আগ্রাসী মনোভাবের জন্য পুরস্কৃত করতে পারি না।’

আরও পড়ুন

‘বরং ভূখণ্ড বিনিময় রাশিয়াকে যুদ্ধের নতুন সুযোগ দেবে’- যোগ করেন জেলেনস্কি।

ট্রাম্পের এমন প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন ইউরোপীয় নেতারাও। তারা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সীমান্ত কখনও বলপূর্বক পরিবর্তন করা উচিত নয়।’

ইউরোপীয় জোটের অন্যতম নেতা ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইউক্রেন প্রতিনিধিকে বাদ দিয়ে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তিনি জানান, ইউক্রেন সংকট সমাধানে ইউরোপীয়রা অবশ্যই অংশগ্রহণ করবে। এটি কেবল ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব নয়, এখানে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে আছে।

জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনালাপের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার বলেন, সুষ্ঠু এবং স্থায়ী শান্তি কেবল তখনই সম্ভব, যখন ইউক্রেন আলোচনায় সক্রিয় অংশীদার হবে।

 

 

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad