ঝালকাঠির রাজাপুরে বিশখালী নদীর আকস্মিক ভাঙনে ঝুঁকিতে পড়েছে ৬৫ নম্বর বাদুরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ভাঙনে বেড়িবাঁধ ও মানুষের চলাচলের সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় প্রায় দেড়শ একর আমন ধানের জমিতে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পূর্ব বাদুরতলা এলাকায় হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে। এতে বেড়িবাঁধ, চলাচলের সড়ক ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১০০ শতক জমি নদীতে বিলীন হয়েছে।
ভাঙনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলের একমাত্র পথটিও নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে বিদ্যালয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। সড়ক ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। নদীভাঙন অব্যাহত থাকায় বিদ্যালয় ভবন নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শাওন মল্লিক বলেন, ‘নদীভাঙনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলের একমাত্র পথটি বিলীন হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’
এদিকে ভাঙন কবলিত এলাকায় প্রায় দেড়শ একর জমিতে আমন ধানের চাষ রয়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় জোয়ারের পানি এসব জমিতে ঢুকে পড়লে আমন ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। আমন চাষি মো. শাহেব আলী খান বলেন, ‘কষ্ট করে আমন ধান চাষ করেছি। বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় নদীর পানি জমিতে ঢোকার ভয় রয়েছে। দ্রুত বাঁধ মেরামত না হলে ধান নষ্ট হয়ে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।’
এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি বিভাগের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


