জোট সরকারে জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি, প্রশ্ন তারেকের

জোট সরকারে জামায়াতের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি, প্রশ্ন তারেকের
মঙ্গলবার ময়মনসিংহে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল
Advertisement
Advertisement

চারদলীয় জোট সরকার যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা তখন কেন পদত্যাগ করেননি বলে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে একটি রাজনৈতিক দল পালিয়ে যাওয়া সেই স্বৈরাচারের মুখের ভাষা বিএনপির বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। ঠিক স্বৈরাচার সরকারের লোকজন যেভাবে বলত একটি রাজনৈতি দল একইভাষা ব্যবহার করছে।’

মঙ্গলবার বিকালে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন। সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে এদিন দুপুরে সড়ক পথে ময়মনসিংহ পৌঁছান তারেক রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। দীর্ঘ ২২ বছর পর ময়মনসিংহ সফরে গেলেন তিনি।

মঙ্গলবার তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় জনতার একাংশ। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল

তারেক রহমান বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তাদেরও দুইজন সদস্য বিএনপির সরকারে ছিলেন। বিএনপি যদি এতই খারাপ হয়, তাহলে ওই দুই ব্যক্তি কেন পদত্যাগ করে চলে আসেননি?’

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, তারা সরকারে ছিলেন এবং তারা ভালো করেই জানত যে খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করেছেন এবং যেই দলটি এখন এই কথা বলছে, তাদের যে দুই সদস্য বিএনপি সরকারের অংশ ছিল। তারা ভালো করেই জানতেন যে, খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সব ধরনের আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান বলে, খালেদা জিয়ার সময় দেশ দুর্নীতিতে নিম্নগতিতে ছিল এবং খালেদা জিয়া যখন ২০০১ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পান, তখন ধীরে ধীরে বাংলাদেশ দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের হতে শুরু করে।

মঙ্গলবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় দলের নেতাদের সঙ্গে জুবাইদা রহমান। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল

যেই দল এই কথা বলে বিএনপিকে এভাবে দোষারোপ করে, তাদের দুই সদস্যের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত সরকারে থাকাই প্রমাণ করে, নিজেরাই নিজেদের মানুষ সম্পর্কে কত বড় মিথ্যা কথা বলছেন, যোগ করেন তারেক রহমান।

উল্লেখ্য, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে কৃষিমন্ত্রী ও পরে শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদকে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad