জি-৭ সম্মেলনে নিজেকে ‘বস’ দাবি করলেন ট্রাম্প

জি-৭ সম্মেলনে নিজেকে ‘বস’ দাবি করলেন ট্রাম্প
(বাম থেকে) দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, ইতালির প্রধানমন্ত্রী, মিশরের প্রেসিডেন্ট, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার ফ্রান্সে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে। ছবি: এপি/ইউএনবি
Advertisement
Advertisement

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে ‘বস’ ঘোষণা করেছেন।

জোটভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষনেতাদের উপস্থিতিতে কৌতুকচ্ছলে তিনি বলেন, ‘আমিই বস।’

ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বেঁ শহরে ১৫-১৭ জুনের এই সম্মেলনের শেষ দিন বুধবার, বিশ্ব অর্থনীতির নিরাপত্তাবিষয়ক এক অধিবেশনে যোগ দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। সেখানে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতা এবং সাংবাদিকদের সামনে তার এই উক্তিতে সম্মেলন কক্ষে হাসির রোল পড়ে যায়।

অধিবেশন কক্ষে সবার শেষে প্রবেশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশ্ব বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর পাশের আসনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আন্তর্জাতিক সংকট, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রচেষ্টার মতো গুরুগম্ভীর আলোচনার আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য সম্মেলনস্থলে কিছুটা হালকা মেজাজ তৈরি করে।

পরে জি-৭ নেতারা ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের প্রাথমিক শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানান এবং এটি বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস দেন, যদিও এই চুক্তির বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। ইউরোপীয় মিত্ররা এই সমঝোতাকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিলেও কূটনীতিকরা সতর্ক করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব বন্ধ করে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানো এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

আরও পড়ুন

সম্মেলনে বুধবারের আলোচ্য বিষয় ছিল দুষ্প্রাপ্য খনিজ ও অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতা। এ ছাড়া, রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও তার মিত্ররা ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনের অগ্রগতি ইতিবাচক এবং শান্তি আলোচনায় রাশিয়া একতরফা শর্ত চাপানোর অবস্থানে নেই।

সম্মেলনের যৌথ বিবৃতি ও নেতাদের বক্তব্য থেকে আভাস মিলেছে, জেলেনস্কির প্রতি ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের সংশয় কেটেছে এবং তিনি আন্তরিক হয়েছেন। তবে রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় বাধ্য করার বিষয়টি অনেকটাই ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে কি না এবং রুশ তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ছাড় বহাল থাকবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad