পদ ও পজিশন বা চেয়ারের বিবেচনায় সম্পর্ক তৈরি করলে তা টেকসই হয় না বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে যশোর সাংবাদিক ফোরাম-ঢাকার ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সফল হওয়ার পর আমরা যদি নিজেদের একটি নির্দিষ্ট বলয়ে আবদ্ধ করে ফেলি, তবে তা সামষ্টিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে।’
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘আমরা যখন খুব সফল বা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাই, তখন একটি বলয়ে নিজেদের আবদ্ধ করে ফেলি। এই জায়গা থেকে সরে আসতে না পারলে সামষ্টিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত না হয়ে স্থায়ী হওয়া উচিত। পদ-পজিশন বিবেচনায় নিয়ে সম্পর্ক তৈরি হলে তা টেকসই হয় না।’
প্রয়াত পিতা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য তরিকুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করে অমিত বলেন, বৃহত্তর যশোরের উন্নয়নে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে এক হতে হবে।
যশোরের উন্নয়নে বর্তমান সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বহু বছর পর বৃহত্তর যশোরের সামনে একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারে ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আমাদের অনেক মানুষ রয়েছেন। অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, বাবু নিতাই রায় চৌধুরীসহ আমরা যারা আছি, সবার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কাজ করতে পারলে যশোরের ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মুক্তার আলী। তিনি বৃহত্তর যশোরের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান।
ইফতার পার্টিতে যশোর জেলা সমিতির সভাপতি এম এ রশীদ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা নাজমুল মুন্নী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, যশোরের সাবেক জেলা প্রশাসক আজারুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুরসালীন নোমানী, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সেক্রেটারি এস এম রাশিদুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক হারুন জামিল, তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ব্যবসায়ী খায়রুল কবীর চঞ্চল, এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েলসহ ঢাকাস্থ যশোরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
যশোর সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক মাহমুদ সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যশোর সাংবাদিক ফোরামের সদস্যসচিব নাজিম উদ দৌলা সাদি, মুখ্য সংগঠক হাসান ওয়ালী, যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ সাইফুল্লাহ, সৈয়দ আহসান কবীর, তানভীর হোসেন, ইফতার বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্যসচিব হাবিবুল ইসলাম, খাজা মেহেদি শিকদার, রকি আহমেদ, মুতাসিম বিল্লাহ, এফ এ শাহেদ, আব্দুস সালাম আজাদ, এ আর আজাদ, পলিয়ার ওয়াহিদ, জয়নাল আবেদীন, বায়েজিদ হুসাইনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।


