বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সচিবালয়ে বৈঠক করেছেন।
বুধবার বিকালে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয় বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু এবং অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার বলে মন্তব্য করেন তিনি।
‘ভবিষ্যতে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়ুক, আমরা সেই প্রত্যাশা করি,’ বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
গ্যাসের অভাবে দেশের ছয়টি সার কারখানার উৎপাদন বিঘ্নিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এলএনজি আমদানি করে সার কারখানা চালু করতে পারে–এমন বিনিয়োগকারী আমরা খুঁজছি, এবং উৎপাদিত সার সরকার কিনে নেবে।’
বন্ধ পাটকলগুলোতেও চীনা বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, ই-লার্নিং সেন্টার স্থাপন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করতে পারে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।’
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট নিয়ে বিজয়ী হওয়ায় বিএনপিকে এবং বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে অভিনন্দন জানান।
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে চীন ভূমিকা রাখতে চায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। ‘নির্বাচিত সরকারের আমলেই চীন প্রথম বিনিয়োগ আনবে,’ বলেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
আগামী পাঁচ বছরে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি এবং বাণিজ্যমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রপ্তানি মো আবদুর রহিম খান এবং অতিরিক্ত সচিব এফটিএ আয়েশা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।


