চাকসু নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা

চাকসু নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা
আহত মাসুম বিল্লাহ। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (চাকসু) এর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

সোমবার রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন মাসুম। ক্ষুর-ব্লেডের আঘাতে তার চোখের ওপরে কেটে গেছে।

আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ মেডিকেলে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা আগে থেকেই মাসুম বিল্লাহকে অনুসরণ করছিলেন। পরে রাস্তা আটকে তার ওপর অতর্কিতে হামলা চালিয়ে হাত, পা ও মাথায় আঘাত করে এবং ক্ষুর দিয়ে চোখের ওপর কেটে দেয়। এ সময় মাসুমের সঙ্গে থাকা তার ভাগ্নেকেও মারধর করা হয়।

চাকসুর নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘মাসুম হাটহাজারীতে মোটরসাইকেলের তেল নিতে গেলে সেখান থেকেই তাকে অনুসরণ করেন হামলাকারীরা।’

আরও পড়ুন

সোহানের দাবি, কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক সড়ক দুর্ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতায় ভূমিকা রাখায় প্রতিশোধ নিতেই মাসুমকে টার্গেট করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হামলার পর নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে মাসুম বিল্লাহও একই দাবি করেন। তিনি জানান, গত ৪ মার্চ বহিরাগত এক ব্যক্তি ক্যাম্পাসে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে এক শিক্ষার্থীকে আহত করার ঘটনায় তিনি সমঝোতার দায়িত্বে ছিলেন। সেই ঘটনার জের ধরেই তার ওপর হামলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ মো. আরিফুল ইসলাম নামে এক বহিরাগত মোটরসাইকেল চালিয়ে নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান রাজকে আহত করেন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সমঝোতায় ভূমিকা রাখেন চাকসুর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ।

সমঝোতা অনুযায়ী, রাজের চিকিৎসা বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা দেখা দিলে সম্পূর্ণ চিকিৎসার  খরচ চালানোর শর্তে আরিফুল ইসলামের বাবা মুচলেকা দেন। এছাড়া আহত শিক্ষার্থী সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত মোটরসাইকেলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের অধীনে রাখার কথাও উল্লেখ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘ঘটনাটি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। মেডিকেলে খোঁজ নিতে একজনকে পাঠানো হয়েছে। এরইমধ্যে থানায় মামলা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad