চাঁদপুরের পদ্মা–মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ১৭ জেলেকে আটক করেছে জেলা টাস্কফোর্স। এ সময় আটক জেলেদের মধ্যে ১৩ জনকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার দুপুরে অভিযানে অংশ নেওয়া সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটক জেলেরা হলেন–আক্তার হোসেন (৩৪), মো. কাউছার (২৬), খোরশেদ আলম (৩৫), মো. বাচ্চু মিয়া (৩২), মো. নাজিম উদ্দিন (৩৯), মো. আজাদ (৪৫), মো. বারেক (২২), মো. শরীফ (২৪), সাইদুর রহমান (২৪), আবু সাইদ (৪৫), মো. নিয়ামত ভুঁইয়া (৪০), মো. মনির (৩৭) ও মো. সাগর (২৮)।
আটক বাকি চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক জেলেরা হলেন—মো. রবিউল, মো. সুক্কুর, বিল্লাল হোসেন ও মো. জাহিদ।
আটক জেলেদের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর, শরীয়তপুর ও নোয়াখালী জেলায়।
মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহর নেতৃত্বে মেঘনা নদীর সদরের হরিনা থেকে কাচিকাটা পর্যন্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে ১৭ জেলেকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে ২৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার তিনটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
জব্দ করা কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে উল্লেখ করে ওমর ফারুক জানান, রাতে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাদা দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জেলেদের জরিমানা করেন। জব্দ নৌকাগুলো কোস্টগার্ডের হেফাজতে রাখা হয়েছে।


