চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সাত দিনের মধ্যে প্রত্যাহার না করলে কঠোর কর্মসূচি, এমনকি বন্দর কার্যক্রম বন্ধের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
শনিবার দুপুরে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে চট্টগ্রাম পোর্ট ইউজার্স ফোরামের সভাপতি আমির হুমায়ূন মাহমুদ চৌধুরী এই আলটিমেটাম ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা আলোচনার সুযোগ দিচ্ছি। সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত না বদলালে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।’
তিনি জানান, প্রথম ধাপের কর্মসূচি হিসেবে ক্লিয়ারিং ও ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্টদের সংগঠন রোববার থেকে প্রতিদিন চার ঘণ্টা করে কাজ বন্ধ রাখবে। ইতোমধ্যে আরও দুটি প্রতিষ্ঠান একই ধরনের সীমিত কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পোর্ট ইউজার্স ফোরাম জানায়, ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন শুল্ক কাঠামোতে ব্যবসায়ীদের ওপর অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফোরামের ভাষ্য, বন্দর কর্তৃপক্ষ গড়ে ৪১ শতাংশ সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর কথা বললেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এই হার তার চেয়েও বেশি।
অন্যদিকে, বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, শুল্ক সমন্বয়ের মাধ্যমে সেবা উন্নয়ন ও অবকাঠামো শক্তিশালী করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘বন্দরের সেবা মান না বাড়িয়ে একতরফাভাবে শুল্ক বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়। আমদানি-রপ্তানি ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেলে পুরো বাণিজ্য চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে সারা দেশের বাণিজ্যিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলন শুরু করা হবে।


