চট্টগ্রাম কারাগারে ধারণক্ষমতার চার গুণ বন্দী, সাব-জেলের প্রস্তাব

চট্টগ্রাম কারাগারে ধারণক্ষমতার চার গুণ বন্দী, সাব-জেলের প্রস্তাব
ছবি: কারা অধিদপ্তর
Advertisement
Advertisement

ধারণক্ষমতার প্রায় চার গুণ বন্দী নিয়ে চরম চাপের মুখে রয়েছে চট্টগ্রাম কারাগার। ব্রিটিশ আমলে জেলার বন্দীদের জন্য নির্মিত এ কারাগারে মহানগরের আসামিদেরও রাখা হচ্ছে।

প্রতিদিন সাত হাজারের বেশি বন্দীকে ব্যবস্থাপনা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষ। এ পরিস্থিতিতে বন্দীর চাপ কমাতে দেশের ২২টি দুর্গম এলাকায় আদালতসংলগ্ন উপজেলা কারাগার বা সাব-জেল স্থাপনের প্রস্তাব পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি (প্রিজন্স) অফিস।

রোববার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া টাইমসকে বলেন, চট্টগ্রামে বন্দী ধারণ ক্ষমতা পুরুষ-নারী মিলিয়ে ১ হাজার ৮৫০ জন। কিন্তু প্রতিদিন গড়ে ৭ হাজারের ওপরে বন্দী রাখা হচ্ছে নানা কায়দা করে। শনিবার ছিল ৭ হাজার ৪০০ জন।

বন্দীর অতিরিক্ত চাপের বিষয়ে ছগির মিয়া বলেন, দেশের ২২টি দুর্গম এলাকায় উপজেলা পর্যায়ে আদালত রয়েছে। এসব এলাকার বন্দীদের জেলা বা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট আদালতের পাশে রাখার ব্যবস্থা করা গেলে মূল কারাগারগুলোর ওপর চাপ কমবে। এ লক্ষ্যে উপজেলা কারাগার বা সাব-জেল স্থাপনের প্রস্তাব কারা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

তিনি নোয়াখালীর হাতিয়া ও সন্দ্বীপ, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ ও কলাপাড়া, বরগুনার পাথরঘাটা, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জের ধর্মপাশাসহ কয়েকটি উপজেলার আদালতের কথা উল্লেখ করেন।

একাধিক কারা কর্মকর্তা বলেছেন, নারী ও মাদক মামলার বন্দীরের আলাদা কারাগারে রাখা গেলে চাপ কমতো। প্রতিদিন রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার বেড়ে যাওয়ায় বন্দীর চাপও বাড়ছে। এ ছাড়া নিয়মিত অভিযানেও আটক বেড়েছে। এদিকে আবার জামিনে মুক্তি কমেছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad