গাজার দক্ষিণাঞ্চলে খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহতদের অনেকেই গুলিতে আহত হয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে টানা তৃতীয় দিনের মতো ত্রাণ বিতরণের সময় এমন হামলার ঘটনা ঘটল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুলির ঘটনাগুলো রাফার ফ্ল্যাগ রাউন্ড আবাউট এলাকায় ঘটেছে, যেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, ‘কয়েকজন সন্দেহভাজন’ নিরাপদ করিডোর ছেড়ে সেনাদের কাছে এগিয়ে এলে তাদের দিকে গুলি ছোড়া হয়।
জাতিসংঘ বলছে, এই ব্যবস্থা ত্রাণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের একটি কৌশল এবং গাজার দুর্ভিক্ষের সমাধান নয়।
জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান ভলকার টার্ক বলেন, ‘ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে মানুষকে গুলি করে হত্যা করা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধ।’ তিনি ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশনা মানার আহ্বান জানান।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, সাধারণ মানুষ খাদ্যের জন্য প্রাণ দিচ্ছে, যা ‘অগ্রহণযোগ্য’। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
গাজার ২০ লাখ মানুষ আন্তর্জাতিক ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল, কারণ ইসরায়েলি অভিযানে গাজায় খাদ্য উৎপাদনের প্রায় সব অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। মার্চ থেকে কঠোর অবরোধ আরোপ করা হলেও সম্প্রতি সেখানে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে কিছু ত্রাণ প্রবেশ করেছে।
ইসরায়েলি সেনা বলছে, কেউ নির্ধারিত ‘নিরাপদ করিডোর’ ছাড়িয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কিনা, তারা তা তদন্ত করে দেখছে।


