গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক স্কুল ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে উপজেলার তালতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (১২)।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে সমসপাড়ার বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে দুবৃর্ত্তরা জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে জানা গেছে। বিকাল ৩টার দিকেও মেয়েটি বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে স্থানীয়রা ৫টার দিকে সড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে মেয়েটিকে পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে খবর দেয়।
পরে পরিবারের সদস্যরা মেয়েটিকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।
ভুক্তভোগীর মা জানান, মেয়ে সকাল ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। বিকাল ৩টাতেও মেয়ে বাড়িতে ফিরে না আসায় সহপাঠীদের জিজ্ঞেস করলে তারা কিছু বলতে পারেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বিকাল প্রায় ৫ টার দিকে খবর আসে মেয়ে তালতলা ইক্ষুকেন্দ্র সংলগ্ন রাস্তার পাশে ঝোপের ভেতর পরে আছে।
স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে মাথায় পানি ঢেলে কিছুটা জ্ঞান ফিরলে সে জানায়, রাস্তা থেকে দুজন যুবক জোর করে তুলে নিয়ে গাইবান্ধা মোড়ের দিকে নিয়ে ধর্ষণ করে। সে যেতে না চাইলে জোরাজুরির এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরপর আর কিছু সে বলতে পারিনি।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা এখনও কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


