কেপ ভার্দেতে বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই শিশু ও কিশোর-কিশোরী। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সময় রোববার রাষ্ট্রীয় বেতার নেটওয়ার্ক ‘আরসিভি’ দুর্ঘটনার বিষয়টি জানায়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তারা জানিয়েছে, শনিবার ফোগো দ্বীপে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কানুতু ও স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, ৩২ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি সাও ফিলিপেতে ফেরার পথে একটি গভীর খাদে পড়ে যায়। বাসটিতে থাকা যাত্রীরা পিকো দো ফোগো আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের ভেতরের চা দাস কালদেইরাস গ্রামে ভ্রমণ শেষে ফিরছিল। পথে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে গভীর খাদে পড়ে যায়।
নিহতদের মধ্যে বাসটির চালকও রয়েছেন। শিক্ষাবর্ষে যেসব শিক্ষার্থীকে তিনি স্কুলে আনা-নেওয়া করতেন, তাদের জন্য প্রতি বছর উপহার হিসেবে এই অনন্য স্থানে ভ্রমণের আয়োজন করতেন তিনি।
দুর্ঘটনার পর বাসটির ভাঙাচোরা অংশ একটি পাথুরে ও দুর্গম উপত্যকায় আটকে যায়। ভেতরে আটকে থাকা যাত্রীদের উদ্ধারে জরুরি সেবাকর্মীরা সারারাত ধরে অভিযান চালান।
আরসিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার ভোরে সাতজনের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। বাকি নিহতদেরও একই দিনে পর্যায়ক্রমে দাফন করার কথা রয়েছে।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট জোসে মারিয়া পেরেইরা নেভেস। নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি দুর্ঘটনাটিকে ‘একটি বিশাল বিপর্যয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
স্থানীয় একটি সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পরিস্থিতি পরিদর্শনে প্রেসিডেন্ট জোসে মারিয়া পেরেইরা নেভেসসহ দেশটির অন্যান্য কর্মকর্তার রোববার ফোগো দ্বীপে যাওয়ার কথা রয়েছে।


