কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন রেল সেতুর নিচ থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ওই নারীর নাম রোকেয়া খাতুন (৫২)। তিনি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ নতুনপাড়া এলাকার আব্দুল ওহাবের স্ত্রী। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকাল ৬টায় দিকে ওই রেল সেতুর নিচে অজ্ঞাত এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পু্লিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে মরদেহটি শনাক্ত করেন তার ছেলে রাসেল। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
মরদেহটি শনাক্ত করেন মৃতের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল। তিনি বলেন, ‘গত তিন-চার বছর ধরে মায়ের মাথায় সমস্যা। শুক্রবার সকালে গোয়ালনন্দ রেলস্টেশনে তাকে দেখা গিয়েছিল। এরপর আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শনিবার সকালে খবর পেয়ে কুমারখালী এসে মাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে আছে।’
‘ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে। তাই মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি’ বলেও জানান তিনি।
কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক ও সুরতহাল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, মৃতের মাথায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনই নিশ্চিত নয়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জিয়াউর রহমান বলেন, এখনই কোনোকিছু নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যাবে।


