কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের অকাল মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন। লিভারজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হলে শুক্রবার দিবাগত রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।
কারিনার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা গভীর শোক প্রকাশ করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিজের ফেসবুক পোস্টে কারিনার একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, “যখন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ডাক আসছিল, তুমি নির্দ্বিধায় দাঁড়াইছিলা, কারিনা। বাংলাদেশ তোমাকে মনে রাখবে।”
ফারুকী আরও লেখেন, কারিনার বুদ্ধিদীপ্ত উপস্থিতি ও প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব তাকে মুগ্ধ করেছিল। তিনি স্মরণ করেন, প্রথমবার তাদের বাসায় এসে কারিনা বলেছিলেন তিনি ফারুকী ও তিশার ভক্ত। উত্তরে তারা জানিয়েছিলেন, তারাও কারিনার ভক্ত। সেই স্মৃতিচারণ করে নির্মাতা বলেন, “তুমি লজ্জা পেয়ে হাসতেছিলা। মানুষ মরে গেলে নাকি সব সত্য দেখতে পায়। এখন নিশ্চয়ই তুমি বিশ্বাস করছো আমরা তোমার অনেক বড় ফ্যান ছিলাম।”
পোস্টের শেষাংশে তিনি কারিনার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে লেখেন, “আল্লাহ, তোমাকে বেহেশত নসিব করুক, কারিনা। রেস্ট ইন পিস, মাই সিস্টার!”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জীবনঘনিষ্ঠ ও প্রাণবন্ত কনটেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন কারিনা কায়সার। পরবর্তীতে নাটক ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ এবং ৩৬-২৪-৩৬।


