কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আলাদা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে নাগরিক সংগঠন জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ।
সোমবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এই দাবি জানানো হয়।
এসময় লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজে (বিলস) এর পরিচালক নাজমা ইয়াসমীন।
তিনি আইএলও কনভেনশন ১৯০ দ্রুত অনুসমর্থনেরও দাবি তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সরকার যতদিন নারী বান্ধব, বৈষম্যহীন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না করবে ততদিন সচেতনতা কর্মসূচি চালিয়ে যাবে জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ।
কর্মস্থল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০০৯ সালের উচ্চ আদালতের দেওয়া ১১ নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও আলাদা আইন তৈরি অপরিহার্য বলে মনে করে সংগঠনটি। তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের শ্রম বিধি-সংশোধনে (নতুন বিধি ৩৬১-ক) কর্মক্ষেত্রে অভিযোগ কমিটি গঠনের যে বিধি যুক্ত করা হয়েছে, তা হাইকোর্টের নির্দেশনার সঙ্গে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সেখানে বহিরাগত পর্যবেক্ষক মনোনয়নের বিষয়টিও উপেক্ষিত।
সংবাদ সম্মেলনে জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সরকারের কাছে আটটি সুস্পষ্ট দাবি উত্থাপন করে।
দাবিগুলো হলো: আইএলও কনভেনশন ১৯০ দ্রুত অনুসমর্থন, খসড়া আইনটি দ্রুত চূড়ান্তকরণ ও গেজেট প্রকাশ, হাইকোর্টের ২০০৯ নির্দেশনা অনুসারে তদারকি কমিটি গঠন, যৌন হয়রানির ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, শ্রম বিধি ৩৬১-ক সংশোধন, নারী বিষয়ক ও শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নসহ অপরাধ ন্যূনতম সময়ে নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা।


