আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ আসনের ব্যালট পেপারে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ না রাখার আবেদন জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জোট হওয়ায় আসনটি তারা এনসিপি প্রার্থী মো. গোলাম সারওয়ার ওরফে সারোয়ার তুষারকে ছেড়ে দিয়েছেন।
বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে আসনটিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক না রাখার এ আবেদন করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন উপলক্ষ্যে নরসিংদী-২ আসনে জামায়াত নিজস্ব প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। তবে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের (বর্তমানে ১১ দলীয়) সমঝোতার ভিত্তিতে ওই আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. গোলাম সারওয়ার ওরফে সারোয়ার তুষারকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে ততোদিনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি। কাজেই সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট পেপারে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ কারণে বিভ্রান্তি এড়াতে এবং রাজনৈতিক সমঝোতা বাস্তবায়নের স্বার্থে নরসিংদী-২ আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতের প্রতীক না রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের সুদৃষ্টি কামনা করে জামায়াতে ইসলামী।
এ বিষয়ে এনসিপি মনোনীত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারোয়ার তুষার বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শিক দল। তারা জোটের প্রতি শতভাগ কমিটেড। অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে নরসিংদী-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারেননি, ফলে তিনি প্রতীক পেয়েছেন।’
‘কিন্তু ভোটাররা যেন বিভ্রান্ত না হয় এবং জোটের সকল ভোট যেন এক বাক্সে পড়ে, সেই লক্ষ্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ইসিতে কেবল একটি মার্কা (শাপলা কলি) রাখার জন্য অনুরোধ করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও সংহতি আরও দৃঢ় হবে’, যোগ করেন সারোয়ার তুষার।


