ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে, শ্রমিক দলের উভয় পক্ষের আটজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এরপরেই তারা নগরভবন এলাকা ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। আহতরা হলেন-ডিএসসিসির শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্য মনির হোসেন, মহিদুল ইসলাম, জসিম, জুয়েল, কাইয়ুম, জনি, দিদার ও রাসেল। খবর ইউএনবির।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানোর দাবিতে টানা ৩৯ দিন নগর ভবনে তালা দিয়ে রেখেছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নেতা আরিফ চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। এ ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়ে তালা খুলে দিতে নির্দেশ দেন ইশরাক।
সোমবার নগর ভবনের তালা খুলে দেন আরিফ চৌধুরীরা। কিন্তু প্রশাসক ও প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তাদের কক্ষগুলোতে তারা তালা লাগিয়ে রাখেন। ওই কর্মকর্তারা যাতে অফিসে ঢুকতে না পারেন সেজন্য সারাদিন নগর ভবনে মহড়া দেন আরিফ চৌধুরী। ফলে তাদের কেউ অফিস করতে পারেননি।
মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনে অবস্থান নেন আরিফ চৌধুরী ও তার অনুসারীরা। এ সময় তারা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে শপথ পড়ানো ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।
এ সময়, তাদের ধাওয়া করেন শ্রমিক দলের অন্য পক্ষের নেতা আরিফুজ্জামান প্রিন্সের অনুসারীরা। তখন তাদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে নগর ভবন থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান আরিফ চৌধুরী। তার সঙ্গে ইশরাক সমর্থক বহিরাগত ব্যক্তিরাও ছিলেন বলে জানা গেছে।
শ্রমিকদলের নেতারা জানান, আগে শ্রমিকদলের দুটি পক্ষই বিএনপি নেতা ইশরাকের অনুসারী ছিলেন। কিন্তু ইশরাকের শপথ কেন্দ্র করে আরিফুজ্জামান প্রিন্স একটু দূরেই থাকছেন। তিনি নগর ভবনে তালা দিয়ে নাগরিকদের ভোগান্তির বিরোধিতা করেন।
নগর ভবনে শ্রমিক দলের দুই পক্ষের দুটি কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে আরিফুজ্জামান প্রিন্সের কমিটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর রয়েছে। তিনি এ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।


