বুধবার রাতের শেষভাগে ইরান বড় ধরনের মার্কিন হামলার মুখোমুখি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একের পর এক পাল্টা হামলার জেরে এই ঘোষণা এল।
তুরস্কে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প ইরানের আচরণকে ‘খুবই খারাপ’ বলে উল্লেখ করেন এবং দেশটির সাথে যুদ্ধবিরতি শেষ করার ঘোষণা দেন।
এর আগে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের ওপর ইরানি হামলার জবাবে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রতিশোধ নিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়।
সিএনএনের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল বিক্রির ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।
ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প ইরানের ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘তাদের পেছনে সময় নষ্ট করা অবান্তর।’ চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই ক্যানসার নির্মূল করতে হবে।’ তবে ইরানি নেতারা মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যকে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে সমালোচনা করছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান আমেরিকার এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘বিধ্বংসী জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
দুই দেশের এই উত্তেজনা এখন ন্যাটো সম্মেলনের মূল আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে বিশ্বনেতারা প্রতিরক্ষা খরচ এবং ইউক্রেন সংকট নিয়েও কথা বলছেন। দুই পক্ষই নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নেওয়ায় পরিস্থিতি যেকোনো সময় আরও ভয়ানক রূপ নিতে পারে।


