জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাবেক সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।
পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মঞ্জুরুল বাছিদসহ দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেছে।
ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্য হলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলায় প্রসিকিউশনের জব্দ তালিকার সাক্ষী এবং প্রসিকিউটর ও বিশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহাকে আসামিপক্ষের জেরা শেষ করা হয়। জেরা করেন ইনুর আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, সাইমুম রেজা তালুকদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ আরও কয়েকজন।
এর আগে, সোমবার প্রসিকিউটর জোহা জবানবন্দি দেন। ২৫ সেপ্টেম্বর সুনির্দিষ্ট আটটি অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে প্রসিকিউশন। সেদিন শুনানি শেষে ইনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণে ২০ জন সাক্ষীর তালিকা দিয়েছে প্রসিকিউশন। এ ছাড়া নথি হিসেবে তিনটি অডিও ও ছয়টি ভিডিও দেওয়া হয়।
গত বছরের ২৬ আগস্ট ঢাকার উত্তরা থেকে হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ইনু। তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হিসেবে কুষ্টিয়ায় নিজ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে হেরে যান তিনি।


