জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও স্পেনের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছে ইংল্যান্ড। ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডের ভুলে এগিয়ে যায় স্পেন। পেছন থেকে বল বাড়াতে গিয়ে ভুল করেন মার্ক গুয়েহি। বল চলে যায় লামিনে ইয়ামালের কাছে।
গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ডকে পরাস্ত করতে ভুল করেননি তিনি।
প্রথমার্ধে স্পেনের আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খায় ইংল্যান্ড। ফেরান তোরেস দুবার গোলের সুযোগ পান। প্রথমবার অফসাইডে গোল বাতিল হয়। পরে ট্রাফোর্ড গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। ওয়ান-অন-ওয়ান সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি তোরেস।
তবে সরাসরি আক্রমণে ফিরে ম্যাচে সমতা আনে ইংল্যান্ড। ৩৬ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডন দ্রুত এগিয়ে গিয়ে উনাই সিমোনকে পরাস্ত করেন।
চার মিনিট পর এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ক্রস থেকে হ্যারি কেইনের হেড মার্ক কুকুরেয়ায়ার গায়ে লেগে দিক বদলায়। বল জালে জড়ায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। বক্সের ভেতর জুড বেলিংহামকে ফাউল করেন রদ্রি। ভিএআরের পর পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। তবে কেইনের শট ক্রসবারে লাগে। শট নেওয়ার সময় পিছলে গিয়ে বলে দুইবার স্পর্শ করায় পেনাল্টি বাতিল হয়।
৬০ মিনিটে সমতায় ফেরে স্পেন। ইংল্যান্ড আবারও সহজে বল হারায়। ও’রাইলির ভুলে বল পান বদলি অ্যালেক্স বায়েনা। বক্সের বাইরে থেকে নিচু শটে ট্রাফোর্ডকে পরাস্ত করেন তিনি।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্পেন। ১৬ মিনিট বাকি থাকতে এগিয়ে যায় তারা।
দারুণ আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভেঙে পড়ে। মিকেল ওইয়ারসাবাল ট্রাফোর্ডকে টপকে বল জালে পাঠান। স্পেন এগিয়ে যায় ৩-২ গোলে।
ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করেছিলেন ওইয়ারসাবাল। এবারও তার গোল ইংল্যান্ডকে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে হতাশ করল।


