ঢাকার মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে আগুনে পোড়া গার্মেন্টস ও কেমিক্যাল গোডাউনের ভেতর কোনো হতাহত ব্যক্তি রয়েছেন কিনা, তা খুঁজে দেখতে নামানো হয়েছে ড্রোন। পাশাপাশি আগুন নেভাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের রিমোট কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রিণ ফায়ার ফাইটিং রোবট।
মঙ্গলবার বিকালে এসব যন্ত্র ব্যবহার শুরু হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।
টাইমস অব বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতরে হতাহত কেউ আছেন কিনা তা খুঁজে দেখছে ড্রোন। আর এলইউএফ-৬০ মডেলের যে রোবটটি ব্যবহার করা হচ্ছে সেটি অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের ঝুঁকি কমাতে এবং কার্যকরভাবে আগুন নেভাতে সাহায্য করে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই রোবট আগুন শনাক্ত করতে, বিপজ্জনক এলাকা পরিমাপ করতে, আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধারের কাজে ব্যবহার করা হয়। এসব রোবটের চাকা খুব শক্তিশালী হয়। যা ভীষণ বিপজ্জনক বা ধসে পড়া কাঠামোর মধ্যে অনায়াসে কাজ করতে পারে।’
এর আগে ২০২২ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে আগুনের ঘটনায় প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির রোবট ব্যবহার করে ফায়ার সার্ভিস। এই রোবোটটি রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে পরিচালনা করতে হয়। এটি ৩০০ মিটার দূর পর্যন্ত পানি ছিটাতে সক্ষম। প্রতি মিনিটে ২ হাজার ৪০০ লিটার পানি নিক্ষেপ করতে পারে এই রোবোট। পাশাপাশি ধোঁয়া, তাপ ও বিষাক্ত গ্যাস সরিয়ে আগুনের তীব্রতাও কমাতে পারে রোবোটটি।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে তিন তলা ভবনে থাকা ‘আনোয়ার ফ্যাশন’ নামের একটি পোশাক কারখানা এবং তার পাশে থাকা টিনশেড ঘরে রাসায়নিকের গুদামে আগুন লাগে। বিকাল পর্যন্ত কারখানা থেকে ৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছৈ ফায়ার সার্ভিস।


