জেনেভায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বার্ষিক সম্মেলনের সহ-সভাপতি পদেও নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ার পর পরই কূটনীতিক ক্ষেত্রে আরেকটি মাইলফলক অর্জনের এ খবর এলো।
জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মিসেস নাহিদা সোবহান এই পদে ১৮৭টি দেশের প্রতিনিধিদের সমর্থন পেয়ে এ পদে নির্বাচিত হন। এই প্রথম কোন নারী এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আন্তজার্তিক সম্প্রদায়ের সর্বসম্মত সমর্থন পেলেন। কূটনৈতিক ক্ষেত্রে একে আরেকটি মাইলফলক হিসাবে দেখা হচ্ছে।
কূটনীতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এই সমর্থন বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার বহিঃপ্রকাশ। আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরিবর্তনশীল বিশ্বে শ্রমখাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বহুপাক্ষিক কূটনীতি জোরদারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা স্বীকৃতি পেলো। ভাইস চেয়ার হিসাবে বাংলাদেশ শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মসংস্থানের বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে, সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এবং অংশীজনের মধ্যে নীতিগত ঐক্যমত প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।
গত সোমবার থেকে জেনেভায় শ্রম অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা প্রতিপাদ্য নিয়ে দুইসপ্তাহব্যাপি আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন শুরু হয়েছে। আইএলও’র সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিনির্ধারনী প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন সর্ব্বোচ্চ ফোরাম। একে বিশ্বের শ্রম সংসদ হিসাবেও অভিহিত করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সরকার, শ্রমিক, মালিক ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে যোগ দিয়ে শ্রমখাতের ভবিষ্যৎ-নির্ধারণী বিষয়গুলোর ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এবার ৫ হাজারের বেশি প্রতিনিধি এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন।


