অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও অননুমোদিত নিয়ন্ত্রণের অভিযোগের মধ্যে দৈনিক জনকণ্ঠের প্রকাশনা আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, ঈদুল ফিতরের ছুটির পর থেকে পত্রিকাটি আর ছাপা হচ্ছে না। গত ২৫ মার্চ অন্যান্য জাতীয় দৈনিকের প্রকাশনা শুরু হলেও জনকণ্ঠ বাজারে আসেনি।
এর আগে কার্যালয়ে টানানো এক নোটিশে জানানো হয়, ‘অনিবার্য যান্ত্রিক বিভ্রাট এবং অন্যান্য অনির্ধারিত কারণে’ ২৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সাধারণ ছুটি ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই স্থগিতাদেশ গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের নিয়মিত কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
জনকণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি উত্তম চক্রবর্তী জানান, পত্রিকাটির প্রকাশনা আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ২০ এপ্রিল পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে।
কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একটি চক্র জনকণ্ঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং নিজেদের ইচ্ছামতো পত্রিকাটি পরিচালনা করতে থাকে। এ অবস্থায় মালিকপক্ষ প্রকাশনা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করায় জনকণ্ঠ ও গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের মানবসম্পদ ও প্রশাসন প্রধান মো. শহীদুল ইসলাম বুধবার হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পত্রিকাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বর্তমানে কারিগরি উন্নয়নের জন্য অফলাইনে থাকলেও অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো, ডিজাইন ও ই-পেপার ফরম্যাট ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইটে সংবাদ প্রকাশ করছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, “রাশেদ রহমান” নামের এক ব্যক্তিকে ওই অননুমোদিত সাইটে লেখক বা প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যার সঙ্গে দৈনিক জনকণ্ঠের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।


