ফ্যাসিবাদের ১৮ বছরে রাজনৈতিক কারণে তালিকা থেকে বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। অনিয়মের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার কাজও চলছে।
রোববার বিকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নাজমুল হুদার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের ১৮ বছরে বিরোধী দলের রাজনীতি করায় অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কারণেও অনেকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আবেদন যাচাই-বাছাই করে সঠিক প্রমাণিত হলে তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের যাচাই-বাছাই চলছে। অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তাদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে অনেকের নাম বাদ পড়েছে।
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যায্য স্বীকৃতি নিশ্চিতের পাশাপাশি অনিয়মে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রোকেয়া বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এখন পর্যন্ত ৮৪৩ জনকে শহীদ হিসেবে সরকারি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরও দুজনের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে তাদের গেজেটভুক্ত করা হবে।
চাহিদা অনুযায়ী সারের ঘাটতি নেই
চাহিদা অনুযায়ী দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের সার সরবরাহ করা হচ্ছে। সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে ও নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে মাঠপর্যায়ে মনিটরিং চলছে।
কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।


