আ.লীগকে নিয়ে মাঠে নামার ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত: রাশেদ খান

আ.লীগকে নিয়ে মাঠে নামার ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত: রাশেদ খান
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মিলে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা জামায়াত-এনসিপির লংমার্চ চক্রান্তের অংশ। জামায়াত ১৯৯৬ সালের মতো আবারও আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নামার ষড়যন্ত্র করছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরাতে তারা এই অপচেষ্টা শুরু করেছে।’

মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক আলোচিত ‘মক্কা সামরিক চুক্তি’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এনসিপির প্রধান নাহিদ ইসলাম মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান প্রসঙ্গে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও মক্তা চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে। দেশের জনগণের বৃহৎ অংশ এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান বিষয়ে ইতিবাচক। দেশের সার্বভৌমত্ব, কূটনৈতিক পলিসি, সার্বিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে মক্কা চুক্তিতে যোগদান বিষয়ে সরকার সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস হিসেবে নিজের পদ ফিরে পাওয়ায় রাশেদ খান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আমি ধন্যবাদ জানাই। ওই সময় ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে নুরুল হক নুর ও জিএস পদে আমি জয়লাভ করেছিলাম। কিন্তু ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ইশারায় সেদিন আমাকে পরাজিত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। আমাকে জিএস পদ ফিরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভোটাধিকারকে সম্মান জানিয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা ও তাদের সমর্থকরা স্থানীয় নির্বাচনের আগে দলে ফিরতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যেসব দলীয় নেতাকর্মী ভুল করে দলের বিরুদ্ধে ভোট করেছিল, তারা ভুল স্বীকার করে ফিরতে চাইলে সেটি দলীয় হাইকমান্ড বিবেচনা করবে। তবে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, দলীয় প্রার্থীকে হারানোর জন্য মাঠে ছিল, তাদের বিষয়ে দল এখনো কোনো চিন্তা ভাবনা করেনি।

এর আগে, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহ সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব রনক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রদলের সাবেক আহ্বয়াক সাহেদ আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেলসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর