সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তুত রয়েছে। প্রকল্পটিতে বিনিয়োগ ও টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করেছেন দেশটির অনাবাসী হাইকমিশনার ডেরেক লো।
মঙ্গলবার নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ও উঠে আসে।
বৈঠকে ডেরেক লো বে টার্মিনাল প্রকল্পে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগ এবং টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল প্রস্তুত রয়েছে।
হাইকমিশনার বলেন, বে টার্মিনাল চালু হলে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। এর ফলে দেশের সামগ্রিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, বে টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারমূলক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর একটি। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে, পণ্য পরিবহনে গতি আসবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু। বাংলাদেশের বন্দর ও সামুদ্রিক খাতের উন্নয়নে দেশটির অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বন্দর উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও সামুদ্রিক খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


