টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, চলতি মাসে কয়েক দফায় সোনার দাম কমানো হয়। গত ১৩, ২২, ২৩ এবং ২৫ অক্টোবর সোনার দাম কমানোর পর ২৮ এবং ২৯ অক্টোবর ফের সোনার দাম বাড়ানো হয়। সবশেষ গত ৩০ এবং ৩১ অক্টোবর আবারও সোনার দাম কমানোর পর আজ দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
সোমবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিং-এর এক জরুরি সভায় নতুন দামের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, যদিও বিশ্ববাজারে সোনার দাম সামগ্রিকভাবে কমছে। তবু, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বাড়ায় নতুন করে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত নতুন এ দাম কার্যকর থাকবে। সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে কারিগররা গয়নার ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি রাখতে পারবেন।
দেশের ইতিহাসে সোনার দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি। এদিন সোনার দাম একলাফে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৩১ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৩ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬৭ দফা কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
সোনার দাম বাড়লেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সে হিসেবে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ২১৬ টাকায় কেনা-বেচা হচ্ছে।


