গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনায় দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার মৃত শিক্ষার্থীর মা মুকসুদপুর থানায় একটি মামলা করেন। এর পরপরই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুই শিক্ষক হলেন, মুকসুদপুরের বামনডাঙ্গা আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার (৫১) ও শিক্ষিকা খাদিজা বেগম (৩০)।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ২৬ নভেম্বর শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার ১৪ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন। আর সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন অপর শিক্ষক খাদিজা বেগম।
এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান শিকদারকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়। এরপর ওই শিক্ষককে পুলিশের পাহারায় মাদারীপুরের রাজৈর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
শুক্রবার দুপুরে নিহত শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে দুই শিক্ষককে আসামি করে থানায় মামলা করেন। পরে আহত মাহমুদুল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুকসুদপুর থানায় নেওয়া হয়।
মুকসুদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শীতল চন্দ্র পাল বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পরই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


