‘ঢাকায় জঙ্গি বিমানঘাঁটি রাখা অত্যাবশ্যক’

‘ঢাকায় জঙ্গি বিমানঘাঁটি রাখা অত্যাবশ্যক’
ঢাকার বিমানঘাঁটিতে জঙ্গি বিমান। ছবি: বিমানবাহিনী
Advertisement
Advertisement

রাজধানীর আকাশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকায় জঙ্গি বিমানঘাঁটি রাখা অত্যাবশ্যক বলে জানিয়েছে বিমানবাহিনী।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিমান পরিচালনা পরিদপ্তরের পরিচালক এয়ার কমডোর শহীদুল ইসলাম সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা ক্যাম্পাসে (পুরাতন পিএসসি ভবনে) সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গত ২১ জুলাই দুপুর ১টার কিছু পর বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি এফ-৭ বিগিআই যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হয়। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বহু ছাত্র-শিক্ষক হতাহত হন। এ ঘটনার পর রাজধানীতে বিমান প্রশিক্ষণ ঘাঁটি রাখার বিষয় আলোচনায় আসে।

এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা থেকে জঙ্গি বিমান প্রশিক্ষণ ঘাঁটি সরানো হবে না। যুদ্ধবিমান পরিচালনায় বিশাল জায়গার প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি রাজধানীর আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতেও এই ঘাঁটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের বহু দেশের রাজধানীতে এমন ঘাঁটি রয়েছে।’

আরও পড়ুন

তেজগাঁওয়ের এভিয়েশন ইউনিভার্সিটি ভবনে বিমানবাহিনীর সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিমানবাহিনীর জরুরি সমন্বয় কেন্দ্রের প্রধান সমন্বয়ক এয়ার কমডোর মো. মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে থাকবে বিমানবাহিনী। প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হবে।’

দুর্ঘটনার সময় পাইলটের সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ ছিল কি না, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবে। আমাদের তথ্যমতে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পাইলট তৌকিরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর খাঁন।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার দিন স্কুলে ৭৩৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ৫৩৮ জন। এ দুর্ঘটনার পর স্কুল আবার কবে খুলবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে যত দ্রুত সম্ভব খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিচতলার গ্রিল নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ভবনের জায়গাটি একসময় নিচু ছিল, বালু ফেলে তা উঁচু করা হয়। এর আগেই ভবনের নিচতলায় গ্রিল বসানো হয়েছিল শিশুদের নিরাপত্তার কথা ভেবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad