পূর্ব নির্ধারিত সময়ে, বিকাল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বেলা আড়াইটার দিকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে সভাস্থল ভিজে যায়।
বিকাল পৌনে চারটার দিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘ঐতিহাসিক জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের জন্য আমরা প্রস্তুত। আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় অনুষ্ঠান শুরুর সময় কয়েক মিনিট পিছিয়ে যেতে পারে, তবে সার্বিক প্রস্তুতি ঠিকঠাক রয়েছে। অতিথিরা ইতোমধ্যে ভেন্যুতে আসা শুরু করেছেন এবং আমরা ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা দেখার অপেক্ষায় আছি।’
বেলা দেড়টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ‘রণক্ষেত্র’ সৃষ্টি হয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান ‘জুলাই যোদ্ধারা’। তাদের মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে সরিয়ে দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ, ছোড়ে সাউন্ড গ্রেনেডও।
জবাবে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা। এসময় বেশ কয়েকজন আহন হন, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় সনদ সই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে তৈরি করা তাঁবুসহ বিভিন্ন সরঞ্জামে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, লাঠিচার্জ, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ। পরে বেলা পৌনে ৩টার দিকে পুরো এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। সংসদ ভবন এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনী।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিজেদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, আইনি সুরক্ষা, পুনর্বাসন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ করেন ‘জুলাই যোদ্ধারা’।


