জুলাই আন্দোলনের বিরোধী আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের মঙ্গলবারের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কথা টাইমস অব বাংলাদেশ’কে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।
এর আগে সোমবার ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকবৃন্দ’-এর ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেন বিএনপি ও জামায়াতপন্থী শতাধিক শিক্ষক। স্মারকলিপিতে তারা জুলাই আন্দোলনের বিরুদ্ধে ও ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী ২৩১ জন শিক্ষকের তালিকা হস্তান্তর করে তাদের শাস্তি ও শিক্ষকদের নীল দল নিষিদ্ধের দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধপন্থী শিক্ষকদের ফোরাম নীল দল। মূলত আওয়ামী লীগ, সিপিবি এবং জাসদ সমর্থক শিক্ষকরা এই ফোরাম করেন। অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক শিক্ষকদের ফোরাম সাদা দল।
মঙ্গলবার সিন্ডিকেটের সভায় ‘জুলাই আন্দোলন-বিরোধী’ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপাচার্য এবিএম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী টাইমস’কে জানান, জুলাই বিপ্লবের বিরোধিতাকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন সময় ইসলামী ছাত্র শিবিরসহ জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা মব সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত বেশ কয়েকজন শিক্ষককে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেন।


