আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনীতি সচল করাই হবে আগামী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার বিকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় আসার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের বাইরে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগামী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, অর্থনীতিকে সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা।’
তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী সরকার গঠন করা হবে।’
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নিজের অনূভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই ফলাফল একদিকে হচ্ছে, আনন্দময়, অন্যদিকে হচ্ছে বিষাদময়। আমাদের দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এই অভূতপূর্ব বিজয় দেখে যেতে পারলেন না এটা বিষাদময়। অনেক শত হাজার রক্তের বিনিময়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরে একটা চমৎকার উৎসবমুখর এবং একটা স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে অভিভূত ও মুগ্ধ। এই ধারাবাহিকতা যদি আমরা রাখতে পারি, তাহলে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারব।’
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হলো, এই দলটি নিয়ে আপনাদের ভাবনা কী এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্যাপারে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে উঠে আসবে পরবর্তীকালের সিদ্ধান্ত।’
তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হওয়ায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি দলটির চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল। শুক্রবার গুলশানের কার্যালয়ে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিহউল্লাহ প্রমুখ।
এর আগে শুক্রবার বিকালে নিজের নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় ফেরেন বিএনপি মহাসচিব। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে যান।


