[live_update time=”রাত ১১.০১” title=”লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় একই পরিবারে নিহত ৯”]
লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেলম শহরের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একই পরিবারের নয়জন নিহত হয়েছেন।
এনএনএ আরও জানিয়েছে যে, নিহতদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল নারী ও শিশু। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
[/live_update]
[live_update time=”রাত ১০.৪৯” title=”মাটির নিচের ‘ক্ষেপণাস্ত্র নগর’ এখন ইরানের জন্য কৌশলগত ভুল”]
ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে বহু বছর ধরে বিপুল অর্থ ব্যয়ে মাটির নিচে ‘মিসাইল সিটি’ বা ক্ষেপণাস্ত্র নগর গড়ে তুলেছিল ইরান। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর সেই কৌশলই এখন তেহরানের জন্য বড় ধরনের সমস্যায় পরিণত হয়েছে।
মাটির নিচে নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো দীর্ঘদিন ধরে ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এসব স্থাপনা শত্রুপক্ষের হামলা থেকে অস্ত্র সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে এই কৌশল এখন ইরানের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের এই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান ও সশস্ত্র ড্রোনগুলো ইরানের মাটির নিচের কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। ঘাঁটি থেকে ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী লাঞ্চার বের হওয়া মাত্র সেগুলোর ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।
এর ফলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের হার কমে গেছে। পাশাপাশি মাটির নিচের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ভারি বোমা হামলাও চালানো হচ্ছে।
এসব হামলায় ক্ষেপণাস্ত্রভান্ডারের প্রবেশপথ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক অস্ত্র মাটির নিচেই আটকা পড়ে থাকছে। সম্প্রতি স্যাটেলাইটে তোলা কয়েকটি ছবিতে ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির প্রবেশপথে ধ্বংসাবশেষও দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার প্রবেশপথে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও লাঞ্চার ধ্বংস হয়েছে।
এই ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারের মধ্যে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিরাজ নগরীর কাছে কয়েকটি ঘাঁটি রয়েছে। সেখানে একাধিক দফায় হামলা হয়েছে। এ ছাড়া ইসফাহান, তাবরিজ এবং কেরমানশাহ নগরীর কাছেও এমন ঘাঁটি রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় এক সপ্তাহের যুদ্ধে ইরানের যে কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি আক্রান্ত হয়েছে, তার প্রায় সবগুলোই ভূগর্ভস্থ। যদিও এসব ঘাঁটির ওপরে ভবন, প্রবেশপথ ও সড়ক থাকায় স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে সেগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
ইরানের বিভিন্ন পার্বত্য এলাকায় মাটির গভীরে সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে। এসব ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় শাহাব-৩, ঘাদর-এইচ, ইমাদ, খেইবার শেকান এবং সেজ্জিলের মতো দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
২০২৫ সালের মার্চে ইরান তাদের সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল, যা দেশটির ‘লৌহ মুষ্ঠি’ হিসেবে পরিচিত। তবে ওই ঘাঁটির অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। ভিডিওতে দেখা যায়, জানালাবিহীন দীর্ঘ করিডোর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক ইরানি কমান্ডার এবং সেখানে ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বহু ট্রাক সারিবদ্ধভাবে রাখা আছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান ৫০০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনায় আঘাত হেনেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংকট্যাংক সিএনএ করপোরেশনের গবেষণা বিশ্লেষক ডেকার ইভেলেথ জানিয়েছেন, ইরান এখন মাটির নিচের বাঙ্কার থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কৌশল অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কমে যাওয়া থেকে ধারণা করা যায় যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার কারণে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সক্ষমতা কমছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের হাতে থাকা অবশিষ্ট ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চারগুলো ধ্বংস করার জন্য তারা খোঁজ চালাচ্ছেন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধবিমান অভিযানের পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার চার দিনের মধ্যে প্রায় ৮৬ শতাংশ কমে গেছে।
[/live_update]
[live_update time=”রাত ০৯.২৭” title=”লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ২১৭”]
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত সোমবার থেকে দেশটিতে চলমান ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত মোট ২১৭ জন নিহত এবং ৭৯৮ জন আহত হয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
[/live_update]
[live_update time=”রাত ০৯.২৫” title=”যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে হতাহত কত?”]
- গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া হামলায় ১ হাজার ৩২০ জন নিহত
- ২ হাজারের বেশি আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
- আহতদের ৬২৫টির বেশি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
- ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১১টি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত
- ৮টি জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্র ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত
- ১২টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত
- সবচেয়ে কম বয়সী আহত: ৪ মাস বয়সী মেয়ে শিশু (লোরেস্তান, পোলডোখতার)
- সবচেয়ে প্রবীণ আহত: ৯৪ বছর বয়সী নারী (কুর্দিস্তান, সাক্কেজ)
- ৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত
- ৩০ জন স্বাস্থ্যকর্মী আহত
সূত্র: ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও রেডক্রিসেন্ট
[/live_update]
[live_update time=”রাত ০৮.৩৭” title=”ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চান ডোনাল্ড ট্রাম্প”]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, ইরান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করুক। তিনি বলেছেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ কথা বলেন। ইরানের আত্মসমর্পণের পর নতুন ‘গ্রহণযোগ্য’ ইরানি নেতাদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের পুনর্গঠনে সাহায্য করবে।
সূত্র: আল জাজিরা
[/live_update]
[live_update time=”রাত ০৮.৩৪” title=”‘ব্লু স্প্যারো’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয় খামেনিকে”]
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার দিন ইসরায়েল ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালায়। ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশ থেকে ছোড়ার পর পৃথিবী মণ্ডলের বাইরে মহাশূন্য ঘুরে আবার পৃথিবীতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের তৈরি ‘ব্লু স্প্যারো’ ক্ষেপণাস্ত্র ১ হাজার ২৪০ মাইল পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আগে এটি বায়ুমণ্ডল অতিক্রম করে মহাশূন্যে ঘুরে আসে। আঘাত এত তীব্র ছিল যে ধ্বংসাবশেষ পশ্চিম ইরাকেও পাওয়া গেছে।
এই অভিযান চালানো হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি, যেটি ইসরায়েলের সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার ছিল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক কর্মকর্তা জানান, এই দিনে তারা পরিকল্পনা করেন আকস্মিক হামলা চালানোর। আইডিএফ কর্মকর্তারা ছুটির দিন উপভোগের নাটকীয়তা দেখিয়ে দ্রুত ছদ্মবেশ ধারণ করে কম্পাউন্ডে হামলার প্রস্তুতি নেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের বরাত অনুযায়ী, মূলত রাতেই হামলা হওয়ার কথা ছিল। তবে তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের শনিবার সকালের বৈঠকের তথ্য পেয়ে সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়। ধারণা করা হচ্ছিল, খামেনি অধিকাংশ রাত ভূগর্ভস্থ বাংকারে থাকেন।
মোসাদ ইরানি কর্মকর্তাদের রক্ষীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল। পাস্তুর স্ট্রিটে বসানো ক্যামেরা পরিস্থিতি নজর রাখে এবং তথ্য তেল আবিবে পাঠানো হয়। এই নজরদারির ফলে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হামলার জন্য উপযুক্ত সময় ঠিক করতে সক্ষম হন।
সকাল সাড়ে ৭টায় এফ-১৫ জেটসহ অন্যান্য যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করা হয়। এর দুই ঘণ্টা পর খামেনির কম্পাউন্ডে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, যার মধ্যে ‘ব্লু স্প্যারো’ ছিল প্রধান।
‘ব্লু স্প্যারো’ মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘স্কাড’ ক্ষেপণাস্ত্রের আদলে তৈরি, যেটি যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া হয়। ক্ষেপণাস্ত্র মহাকাশ পর্যন্ত উঠে পুনরায় পৃথিবীর দিকে নেমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। মহাকাশ থেকে আঘাতের সময় প্রচণ্ড গতি পাওয়ায় এগুলোকে আকাশে ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন।
২০২৪ সালে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানে হামলার সময়ও ইসরায়েল এগুলো ব্যবহার করেছিল বলে ধারণা করা হয়।
[/live_update]
[live_update time=”রাত ০৮.০৫” title=”লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রীর ছেলে আহত”]
লেবানন সীমান্তে সামরিক কার্যক্রম চলাকালীন ইসরায়েলের কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে বর্তমান অর্থমন্ত্রী বেজলাল স্মোর্টিচের ছেলে রয়েছেন।
ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, সামরিক অভিযানের সময় এই আহতির ঘটনা ঘটে। তবে আঘাতের পরিস্থিতি বা অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পাশাপাশি ইসরায়েল লেবাননেও হামলা চালাচ্ছে। লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী স্থল অভিযান শুরু করেছে।
বেজলাল কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত। তিনি লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি অংশকে ফিলিস্তিনের গাজা শহরের খান ইউনিসের মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার হুমকি দিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
[/live_update]
[live_update time=”সন্ধ্যা ০৭.১০” title=”কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, আরও হামলার হুঁশিয়ারি”]
ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তারা। শিগগির আরও হামলা চালানো হবে।
ইরানের সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়েছে, ‘গত কয়েক ঘণ্টায় সেনাবাহিনী বিভিন্ন ধরনের বিধ্বংসী ড্রোন দিয়ে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বিপুল সংখ্যায় হামলা চালিয়েছে। আগামী কয়েক ঘণ্টা এই হামলা চলতে থাকবে।’
সূত্র: আল জাজিরা
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ০৫.৩৯” title=”ইরানকে ‘বাছবিচারহীন’ হামলা বন্ধের আহ্বান ইইউ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর”]
উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা নিয়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মন্ত্রীরা তেহরানকে অবিলম্বে এসব ‘বাছবিচারহীন’ হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের আক্রমণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
বৃহস্পতিবার ভিডিও সংযোগে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। ব্রাসেলস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বৈঠকে জানানো হয়, ইরান ইতোমধ্যে জিসিসিভুক্ত কয়েকটি দেশের ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ওমান।
বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে মন্ত্রীরা জিসিসি দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের ‘অযৌক্তিক’ হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, এসব হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। একই সঙ্গে ইরানকে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের ‘বাছবিচারহীন’ হামলার প্রেক্ষাপটে জিসিসি দেশগুলোর নিজেদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর শহর ও অবকাঠামোতে আঘাত হানায় তেহরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে সংকট সমাধানে সংলাপ ও কূটনীতির পথেই এগোনোর কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইইউ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মন্ত্রীরা। তারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন ও বিস্তার বন্ধে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজতে যৌথ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর অঙ্গীকার করেছেন।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কালাস। বৈঠকের আগে ব্রাসেলসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের ড্রোন হামলা প্রতিরোধে সহায়তা করতে চায় ইউরোপীয় জোট। তবে সরঞ্জামের সরবরাহ সীমিত থাকতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
কালাস বলেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য–উভয় অঞ্চলে ব্যাপক চাহিদার কারণে ড্রোন প্রতিরোধক ব্যবস্থার উৎপাদন চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
তার ভাষায়, ‘এখন প্রায় সবারই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন। তাই উৎপাদন নিয়ে সত্যিই সমস্যা রয়েছে।’
ইউরোপকে দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে সীমিত সক্ষমতা নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন কায়া কালাস।
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ০৫.২১” title=”লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৫, মোট প্রাণহানি ১২৩”]
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের উপকূলীয় শহর সিদনে ইসরায়েলি হামলায় পাঁচজন নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতে লেবাননে মোট ১২৩ জন নিহত এবং ৬৮৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন বেসামরিক নাগরিক, তা এখনো জানা যায়নি।
সূত্র: এপি
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ০৪.৫৪” title=”ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র”]
ইসরায়েলের প্রধান, সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে খবর দিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ০৪.১০” title=”লেবাননে আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে ৩ প্যারামেডিক নিহত”]
দক্ষিণ লেবাননে বিস্ফোরণে আহতদের উদ্ধারের কাজ করতে গিয়ে তিনজন প্যারামেডিক নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রিয়াসুস। ওই অঞ্চলে ইসরায়েল ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে গেব্রিয়াসুস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিস্তার পুরো অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার ওপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব ফেলছে।’
তিনি জানান, দক্ষিণ টায়ার জেলায় বিস্ফোরণে আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে তিনজন প্যারামেডিক নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘হতাহতের তালিকায় আরও স্বাস্থ্যকর্মী যুক্ত হকে পারে। এটি এড়ানো জরুরি, যাতে প্যারামেডিক, চিকিৎসক ও নার্সরা তাদের জীবন রক্ষাকারী কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, যা সংকটের সময়ে বিশেষভাবে প্রয়োজন।
ডব্লিউএইচও প্রধান যুদ্ধ করা পক্ষগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলা এবং স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্য স্থাপনা ও রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং বোমাবর্ষণের পরিবর্তে প্রজ্ঞা ও শান্তির কণ্ঠস্বর জোরদার করার আহ্বান জানান।
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ০৩.৫২” title=”লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৩”]
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৩-এ দাঁড়িয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সোমবার ইসরায়েলি হামলার ঘটনায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১২৩-এ দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৬৮৩ জন।’
এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছে যে তাদের উত্তরের সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটারের (৩ দশমিক ১১ মাইল) মধ্যে থাকা শহরগুলো থেকে সরে যেতে হবে।
[/live_update]
[live_update time=”দুপুর ২.৪৫” title=”ইরানের শিরাজে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলায় নিহত ২০”]
ইরানের শিরাজ শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন।
ফার্স প্রদেশের উপ-গভর্নর জালিল হাসানি জানিয়েছেন,, শুক্রবার সকালে জিবাশাহরের একটি আবাসিক এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। এতে বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
শিরাজে আরেকটি হামলায় দুইজন চিকিৎসা সহকারীও নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
এ নিয়ে গত শনিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে অন্তত এক হাজার ৩৩২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রেড ক্রিসেন্ট।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে দফায় দফায় বিমান হামলা ও বিস্ফোরণে হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে।
উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
[/live_update]
[live_update time=”দুপুর ১.১০” title=”ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক গড় খরচ ৮৯ কোটি ডলার”]

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টাতেই প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার (৩৭০ কোটি ডলার) ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অর্থাৎ গত সাতদিনে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮৯ কোটি ডলার খরচ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে বিমান হামলা চালাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় তুলনামূলক বেশি হয়।
পরে তুলনামূলক কম দামের অস্ত্র ব্যবহারে ওয়াশিংটনের যুদ্ধ ব্যয় কিছুটা কমতে পারে বলেও জানায় তারা।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এরইমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই যুদ্ধ আরও কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে। সে ক্ষেত্রে বর্তমানে যে বাজেট নির্ধারণ করা আছে, তা দিয়ে পুরো যুদ্ধের খরচ মেটানো সম্ভব নাও হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের এই অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা দপ্তরকে ভবিষ্যতে আরও অর্থ বরাদ্দ নিতে হতে পারে। কারণ বিদ্যমান বাজেট থেকে বড় অঙ্কের অর্থ কেটে নিয়ে এই যুদ্ধ চালানো রাজনৈতিক ও সামরিক-উভয় দিক থেকেই কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
[/live_update]
[live_update time=”দুপুর ১২.১৮” title=”মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ২০০ শিশু নিহত”]

মধ্যপ্রাচ্যে গত সাতদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলায় অন্তত ২০০ শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুদের মধ্যে ইরানে ১৮১ জন, লেবাননে সাতজন, ইসরায়েলে তিনজন এবং কুয়েতে একজন।
ইউনিসেফের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শিশুরা তো কোনো যুদ্ধ শুরু করে না, কিন্তু যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ মূল্য তাদেরই দিতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সামরিক উত্তেজনা এরইমধ্যে শিশুদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।’
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার প্রথম দিনেই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহর মেয়ে শিশুদের একটি স্কুলে বিমান হামলা হয়। ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড করপসের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় অন্তত ১৭৫ জন মেয়ে শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে যাদের বেশিরভাগের বয়স ৭ থেকে ১২।
[/live_update]
[live_update time=”বেলা ১২.০৫” title=”খামেনির উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদের বৈঠক”]

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করতে বৈঠক করেছে ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ।
খামেনির মৃত্যুর পর প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি এজেই এবং ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি রেজা আরাফিকে নিয়ে অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ গঠন করে ইরান।
দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়, এই বৈঠকে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের (বিশেষজ্ঞ পরিষদ) সভা কীভাবে আয়োজন করা হবে এবং কোন নেতা কি ভূমিকা রাখবেন তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস ৮৮ সদস্যের একটি ধর্মীয় নেতাদের প্যানেল। তাদের ভোটেই দেশের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হয়।
তবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা কবে নির্বাচন করা হবে বা বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্যরা সরাসরি নাকি অনলাইন ভোটে সিদ্ধান্ত নেবেন, এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি তেহরান।
এর আগে ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে আয়াতুল্লাহ খামেনির ছেলে মোজতবা আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হতে যাচ্ছেন বলে গুঞ্জনের খবর প্রকাশ হলেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য মেলেনি।
বরং আয়তুল্লাহ খামেনির বিরোধীরা সর্বোচ্চ নেতা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবারতন্ত্রকে পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদের সদস্য ও ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী রেজা আরাফিকে সমর্থন দিচ্ছেন তারা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেশিরভাগ সরকারি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দফায় দফায় বিমান হামলার সময় বিশেষজ্ঞ পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ভবনেও আঘাত হানা হয়েছে।
[/live_update]
[live_update time=”বেলা ১১.২৫” title=”তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিমান হামলা”]
ইরানের রাজধানী তেহরানের আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন হামলায় খ্যাতনামা তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আশপাশের কয়েকটি আবাসিক এলাকাও হামলার শিকার হয়।
স্থানীয়দের বরাতে মেহের নিউজ জানায়, শুক্রবার ভোর থেকেই তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
তবে এখন পর্যন্ত হামলায় হতাহতের কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
[/live_update]
[live_update time=”সকাল ১০.১৫” title=”ভারত মহাসাগরে ইরানি জাহাজে হামলার ঘটনায় মোদী সরকারের নীরবতায় ক্ষুব্ধ তেহরান”]

ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন হামলায় ইরানের জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মোদী সরকারের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশটির অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, এই ঘটনা ভারত মহাসাগরে নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতের নেতৃত্ব দাবি করার বিষয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জেরে গত বুধবার শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছাকাছি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইরিশ ডেনায় সাবমেরিনের সাহায্যে টরপেডো হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ।
ওই হামলার পর ডুবন্ত জাহাজ থেকে সাহায্যের সংকেত পাঠানো হলে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ৩২ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সেইসঙ্গে ৮৭ ইরানি নাবিকের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এখনো নিখোঁজ আছেন অন্তত ৬০ জন।
ভারত সরকারের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ওই ইরানি যুদ্ধজাহাজটি ভারতের নৌবাহিনীর আমন্ত্রণে একটি নৌ-মহড়ায় অংশ নিয়ে ইরানে ফিরে যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করে।
ইরানের দাবি, কোনো উসকানি ছাড়াই ইরান উপকূল থেকে তিন হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে থাকা যুদ্ধজাহাজটিতে হামলা চালানো হয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক সংঘর্ষে জড়িত ছিল না এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় আইন মেনে নিয়মিত পথেই চলছিল।

তবে জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর প্রকাশের পর ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে একদিনেরও বেশি সময় লেগে যায়। ভারতীয় নৌবাহিনীও যুদ্ধজাহাজ এবং এতে থাকা নাবিকদের নিরাপত্তা কিংবা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানায়নি।
ভারত সরকারের এই বিলম্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, ভারত দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ভারত মহাসাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। কিন্তু নিজের অঞ্চলের কাছাকাছি এমন বড় একটি সামরিক ঘটনার পরও দ্রুত প্রতিক্রিয়া না দেওয়া ভারতের প্রভাব ও সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করেছে।
এক বিশ্লেষক বলেন, যদি ভারত সত্যিই এই অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চায়, তাহলে এমন ঘটনায় দ্রুত কূটনৈতিক ও সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখানো প্রয়োজন ছিল। অন্যথায় ভারতের নেতৃত্বের দাবি দুর্বল হয়ে পড়বে।
তাদের মতে, এই ঘটনা আঞ্চলিক বলয়ে কেবল ভারতের দুর্বলতাই তুলে ধরেনি বরং দেখিয়ে দিয়েছে যে ভারত মহাসাগরে বাস্তব ক্ষমতা ও প্রভাবের ক্ষেত্রে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বেশ ক্ষমতাধর। ভারত মহাসাগরের নিয়ন্ত্রণেও বড় শক্তিগুলোর প্রাধান্যই বেশি। ফলে নিজের ‘অভিভাবকসুলভ’ ভূমিকাকে প্রতিষ্ঠা করতে ভারতের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
[/live_update]
[live_update time=”সকাল ৯.৪৫” title=”উত্তর ইসরায়েল থেকে বাসিন্দাদের সরে যেতে বলল লেবাননের হিজবুল্লাহ”]

পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে এবার ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে সরে যাওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, হিব্রু ভাষায় প্রকাশিত এক বার্তায় হিজবুল্লাহ নেতারা জানান, লেবানন সীমান্ত থেকে ইসরায়েলের ভেতর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় বসবাসরত সব মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হবে।
বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি ইসরায়েলি বাহিনীকে হুঁশিয়ার করে বলেছে, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ মানুষের ওপর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলা, অবকাঠামো ধ্বংস এবং বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
এদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার থেকে ইসরায়েলের হামলায় রাজধানী বৈরুতসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১২৩ জন নিহত এবং ৬৮৩ জন আহত হয়েছেন।
[/live_update]
[live_update time=”সকাল ৯.২৫” title=”ইরানি দূতাবাসের কূটনীতিকরা পদত্যাগ না করলে হত্যার হুমকি ট্রাম্পের”]

বিশ্বজুড়ে ইরানের দূতাবাসগুলোতে দায়িত্বরত কূটনীতিকদের পদত্যাগ করে অন্য দেশে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় তাদের হত্যার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইরানের অভিজাত ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কর্পস বাহিনীর কমান্ডারদের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। তাদের অস্ত্র সমর্পণ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি তারা অস্ত্র ছেড়ে দেয় তাহলে তাদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি দেওয়া হবে।’
‘আর যদি তারা এই আহ্বান না মানে এবং লড়াই চালিয়ে যায়, তাহলে তাদের হত্যা করা হবে’ বলেও হুঁশিয়ার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ভিন্ন দেশের অভ্যন্তরে কোনো দেশের দূতাবাসে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
[/live_update]


