কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে চলছে শারদীয় দুর্গাপূজা। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে উৎসবে যোগ দিচ্ছেন বিদেশিরাও।
মা দুর্গার আগমনের প্রতীক্ষা হলো সারা। ভুবনজুড়ে খুশির আমেজ আর আনন্দ। ভালোবাসা আর বাংলা সংস্কৃতিকে হৃদয় ধারণ করে ক্যালগেরির বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন স্থানীয় কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজন করছে শারদীয় দুর্গোৎসব।
বাংলা সংস্কৃতিকে তুলে ধরে সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপ। বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের পদচারণায় মুখরিত কমিউনিটি হলের পূজামণ্ডপগুলো। আলোকোজ্জ্বল আর সূক্ষ্ম ছোঁয়ায় সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপগুলো। পূজা উৎসব কে ঘিরে আনন্দ বইছে সারা কানাডায়।
এ বছর ক্যালগেরিতে ‘বাংলাদেশ পূজা পরিষদ অফ ক্যালগেরি’, ‘আমরা সবাই অফ ক্যালগেরি’ এবং ‘ক্যালগেরি বঙ্গীয় পরিষদ’ ভিন্ন ভিন্ন স্থানে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করছে।
বাংলাদেশ পূজা পরিষদ অফ ক্যালগেরি তাদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করছে ক্যালগেরির সাউথ ভিউ কমিউনিটি সেন্টারে, আমরা সবাই অফ ক্যালগেরি শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করছে এয়ারডির কমিউনিটি সেন্টারে এবং ক্যালগেরি বঙ্গীয় পরিষদ এয়ারডির কমিউনিটি সেন্টারে শারদীয় দুর্গোৎসব পালন করবে।
উৎসবে সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নেন বাংলাদেশ ও ভারতের স্বনামধন্য শিল্পীরা।
‘বাংলাদেশ পূজা পরিষদ অব ক্যালগেরি’র সুব্রত বৈরাগী বলেন, ‘দুর্গতি বিনাশ করার জন্য তার আবির্ভাব। তাই দেবীর নামকরণ ‘র্দুগা’। আমরা বিশ্বাস করি দেবী সর্বত্র আছেন, মঙ্গলের বার্তা দিয়ে তিনি পৃথিবীকে শান্তিময় করে তুলবেন।’
ক্যালগেরির ‘আমরা সবাই’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রুপক দত্ত বলেন, ‘আনন্দের এই শুভ দিনে মায়ের আশীর্বাদে দেশে ও বিশ্বের মধ্যে শান্তি বিরাজ করবে, আগামী দিনগুলো আরও সুন্দর হয়ে উঠবে, সকল পাপ ও পঙ্কিলতা দূর হয়ে মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরে আসবে- এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
ক্যালগেরির দিলীপ নন্দী বলেন, ‘বিশ্ব জননী তিনি সংকট নাশিনী, তিনিই সব সংকট নাশ করে, ধরাতে অশান্তি দূর করে, সুখ-শান্তি বিরাজমান রাখবেন, নতুন আলোয় উদ্ভাসিত করবেন আমাদের জীবন- এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।’


