টাঙ্গাইল-৮ আসন: স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ

টাঙ্গাইল-৮ আসন: স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ
টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুটি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের হরিণ প্রতীকের তিনটি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর এবং দুটি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়।

রোববার এ ঘটনায় সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন হরিণ প্রতীকের এজেন্ট ফজলুল হক বাচ্চু।

অভিযোগে তিনি জানান, আসনের বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের তিনটি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুরের শিকার অফিসগুলো হলো–রাঙ্গামাটি কেন্দ্রের সলঙ্গা নির্বাচনী অফিস, ইলিমজান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সোনাতলা মোড় অফিস এবং দেওয়ানপুর কেন্দ্রের দেওয়ানপুর নির্বাচনী অফিস।

একই সঙ্গে বহেড়াতৈল ইউনিয়নের বহেড়াতৈল ও কালিয়া ইউনিয়নের বাসারচালা এলাকায় অবস্থিত হরিণ প্রতীকের দুটি নির্বাচনী অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া শোলাপ্রতিমা ও কালিয়া এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুটি নির্বাচনী বিলবোর্ড ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন

ফজলুল হক বাচ্চু অভিযোগ করে জানান, বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আহমেদ আযম খানের কর্মী-সমর্থকরা শনিবার রাতে তিনটি অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং রোববার সকালে দুটি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে মারধর করে আহত করা হয়।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল বলেন, প্রতিপক্ষ পরাজয়ের আশঙ্কায় এসব অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। হিংসা-প্রতিহিংসা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা এবং জনগণকে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া সবার দায়িত্ব।

এ সময় নিজের কর্মী-সমর্থকদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর ভোটের দেউলিয়াত্বে ভুগছেন। সে কারণেই তিনি কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন।

বাসাইল-সখীপুরের মানুষ সবকিছু বুঝে শুনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলেও মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, নির্বাচনের অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্বাচনীয় অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি গঠিত রয়েছে। অভিযোগ পেলে কমিটি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রমাণ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad