বুড়িমারী স্থলবন্দরে দুই দিন ধরে আটকে থাকার পর অবশেষে ভুটানের ট্রানজিট পণ্যের চালানটিকে চ্যাংড়াবান্ধা বন্দর দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে ভারত।
সোমবার দুপুরে অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় শুল্ক প্রক্রিয়া শেষ করে বিকালে কন্টেইনার বোঝাই ট্রাকটি বুড়িমারী থেকে ভুটানের উদ্দেশে রওনা দেয়।
এর আগে, গত রোববার বুড়িমারী বন্দরে পৌঁছে ভুটানের ট্রানশিপমেন্টের পরীক্ষামূলক এই চালানটি। কিন্তু ভারতের অনুমোদন না থাকায় সেটি বন্দরেই আটকা ছিল।
বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ভারতের অনুমোদন পাওয়ার পর আজ আমাদের কর্মকর্তারা সব শুল্ক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন।’
এর আগে, ভুটানের ট্রানজিট কার্গোর প্রথম পরীক্ষামূলক চালানের অংশ হিসেবে, পণ্যবাহী জাহাজটি ২৬ নভেম্বর বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছাড়পত্র পায়। ৬ হাজার ৫৩০ কেজির এই চালানে রয়েছে শ্যাম্পু, শুকনো পাম, আইস টি, চকোলেট এবং জুসের মতো পণ্য।
থাইল্যান্ডের আবিট ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড নামি একটি প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য পাঠিয়েছে।
কার্গোটি থাইল্যান্ডের ল্যাম চাবাং বন্দর থেকে ৮ সেপ্টেম্বর রওনা হয় এবং ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। খালাস ও ছাড়পত্র পাওয়ার পর চালানটি ভুটানে পরবর্তী ট্রানজিটের জন্য বুড়িমারী স্থলবন্দরে পাঠানো হয়।
বাংলাদেশ এবং ভুটান ২০২৩ সালের ২২ মার্চ একটি দ্বিপাক্ষিক ট্রানজিট চুক্তি সই করে। যেখানে ভুটানকে পণ্য পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে স্থল ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া হয়।
কর্মকর্তারা বলছেন, এই পরীক্ষামূলক চালানটি যদি আর কোনো দেরি ছাড়াই ভুটানে পৌঁছায়, তবে ভুটানের অনুমোদন ও পরিচালনার প্রস্তুতির সাপেক্ষে নিয়মিত ট্রানজিট কার্যক্রম শুরু হতে পারে।


