বরিশাল নগরীর কাশিপুরের আলোচিত লিটন সিকদার ওরফে লিটু হত্যা মামলার আসামি মো. রিয়াজ মাহমুদ খান মিল্টনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত লিটু মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ন আহ্বায়ক ছিলন। তাকে হত্যার ঘটনায়র করা মামলায় গ্রেপ্তার মিল্টনও একই সংগঠনের যুগ্ন আহ্বায়ক।
বুধবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কাশিপুরের বিল্ববাড়ি এলাকায় এক প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির সিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, লিটু হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলায় মিল্টন পাঁচ নম্বর আসামি। লিটুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নামধারী ৬১ জন ও অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে শুক্রবার এয়ারপোর্ট থানায় মামলাটি করেন নিহতের বোন মোসাম্মৎ মুন্নি বেগম। মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩১ জুলাই সন্ধ্যায় নগরীর কাশিপুর ইউনিয়নের বিল্ববাড়ি এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় লিটুকে। এ কাজে অংশ নেন শতাধিক মানুষ। হামলায় আহত হন লিটুর ভাই ও বোন। হামলাকারীরা তাদের ঘরে আক্রমণ চালায়, ভাংচুর করার পাশাপাশি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এজাহারে বাদি উল্লেখ করেছেন, মিল্টন হামলার শুরুতেই তার ভাই লিটুর ডান হাত কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পরে অন্য আসামিরা পিটিয়ে-কুপিয়ে জখম করে।
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিল্টন ও লিটু একসময় যৌথভাবে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের দুজনের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা রয়েছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।


