মুরাদনগরে ইলিশবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে ইলিশবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টাকার ইলিশ মাছবোঝাই পিকআপ ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের সর্দার ইদ্রিস মিয়াকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১ (এসআরবি-১১)। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতির ১৯টি মামলা রয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর শনির আখড়া এলাকা থেকে এসআরবি-১১ এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-২ (সিপিসি-২), কুমিল্লা এবং এসআরবি-১০-এর সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ীর যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

বুধবার এসআরবি-১১ এর সিপিসি-২-এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে মুরাদনগর উপজেলার নেয়ামতপুর এলাকায় মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। লক্ষ্মীপুর সদর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট থেকে ইলিশ মাছ কিনে পিকআপে করে কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করছিলেন।

আরও পড়ুন

রাত সাড়ে ১২টার দিকে পিকআপটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি সাদা রঙের পিকআপ দিয়ে তাদের গাড়ির গতিরোধ করে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল। এ সময় ডাকাতরা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মাছ ব্যবসায়ী, চালক ও তাদের সহযোগীকে মারধর করে। পরে তাদের হাত-পা ও মুখ বেঁধে সড়কের পাশে ফেলে রেখে প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ইলিশ মাছবোঝাই পিকআপ এবং ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ ৭১ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় ডাকাতির মামলা করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এরপর জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় এসআরবি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার ইদ্রিস মিয়া নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। প্রাথমিক অনুসন্ধান, জিজ্ঞাসাবাদ এবং তার বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও পুলিশি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় তার বিরুদ্ধে ডাকাতির ১৯টি মামলা রয়েছে। তিনি একটি আন্তজেলা ডাকাত দলের সর্দার। বিদেশফেরত প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ডাকাতির বাইরে তার নির্দিষ্ট কোনো আয়ের উৎস নেই বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ডাকাতির ঘটনার পর গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার ইদ্রিস মিয়াকে মুরাদনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad