চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী, ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।
আমু ছাড়া অন্য ছয় আসামি হলেন সাবেক পাঁচ মন্ত্রী শাজাহান খান, আব্দুর রাজ্জাক, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক খান, দীপু মনি ও মির্জা আজম এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
প্রসিকিউশনের ভাষ্য, আসামিদের বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি বা শীর্ষ নেতৃত্বের দায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৪-দলীয় জোটের সভায় উপস্থিত থেকে গণহত্যার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারফিউ জারির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং আন্দোলনকারীদের দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্তে তারা ভূমিকা রেখেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, তদন্ত সংস্থা সাত আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করে। সেই প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন।
আরও পড়ুন: ‘শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয়ভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়েছে’


