শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।
রোববার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজল ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সালেকীন হাবিব বাপ্পীর আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এর আগে ঢাকার সিএমএম আদালতেও জামিন পাননি তিনি। পরে নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন আখতারুজ্জামান।
গত ২ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
পরদিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব ও জমজমের পানি না পাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা হুমকি-ধমকিতে রূপ নেয়। পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জুনে কটিয়াদী আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।


