ড্রাই ডকে বাণিজ্যমন্ত্রী, যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ

ড্রাই ডকে বাণিজ্যমন্ত্রী, যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ
চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

দেশের সামুদ্রিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড (সিডিডিএল) পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার তিনি প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো, জাহাজ মেরামত ও নির্মাণ কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিচালনব্যবস্থা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে সিডিডিএলের সক্ষমতা ও কারিগরি দক্ষতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় শিল্পায়নে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সিডিডিএলে পৌঁছালে বাণিজ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। পরে তিনি সিডিডিএলের বিভিন্ন স্থাপনা ও কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

সিডিডিএল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ মেরামত ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৬টি দেশি-বিদেশি জাহাজ সফলভাবে মেরামত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

এ ছাড়া কনটেইনার ভেসেলসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পন্টুন নির্মাণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। জাহাজের ড্রাই ডকিংয়ের পাশাপাশি ভাসমান অবস্থায় মেরামত সেবাও দিয়ে আসছে সিডিডিএল।

১৯৮৫ সালে দেশের সামুদ্রিক খাতের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও শিল্পায়নের লক্ষ্য নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে সিডিডিএলের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন কারণে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে এর কার্যক্রমও।

পরিস্থিতি পরিবর্তনে ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সিডিডিএলের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

জাহাজ মেরামত ও নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেও কাজ করছে সিডিডিএল। সরকারের ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ জনবল তৈরির কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন এবং প্রাথমিক কারিগরি ও প্রক্রিয়াগত কার্যক্রমও এগিয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad