ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক পদে মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট।
আদালত জানতে চেয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৯ (১) এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন (কর্মকর্তা-কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা, ১৯৯৮-এর বিধি ৩(গ) লঙ্ঘনের কারণে বাকীর নিয়োগকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং এর কোনো আইনি কার্যকারিতা থাকবে না। গত মঙ্গলবার একটি রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ রুল জারি করে।
সংস্থাপন সচিব, আইন সচিব, ধর্ম সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকীসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র রুল জারির বিষয়টি টাইমসকে নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯(১) ধারায় বলা হয়েছে, চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর জনস্বার্থে রাষ্ট্রপতি কোনো কর্মচারীকে সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারেন।
তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক পদে বাকীর নিয়োগের ক্ষেত্রে ওই বিধান অনুসরণ করা হয়নি বলে রিটে দাবি করা হয়েছে। আইনজীবীর ভাষ্য, বাকী জাতীয় মসজিদে কর্মরত থাকা অবস্থাতেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক পদে তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পরই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়। বাকীর বিরুদ্ধে দুর্নীতিরও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।


