কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজের অভিযোগে আদালত অবমাননার মামলার শুনানি মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার বিচারপতি জেবিএম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটি শুনানির জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি জানান, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ চলছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) রোববার আদালত অবমাননার মামলাটি করে।
মামলার পেছনে রয়েছে এক দশকের বেশি পুরোনো একটি আদালতের নির্দেশনা। ২০১০ সালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে জনস্বার্থে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
ওই রিটে হাইকোর্ট রুল জারি করে। শুনানি শেষে ২০১১ সালে আদালত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে নির্মিত সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
মনজিল মোরসেদ বলেন, আদালতের ওই নির্দেশনার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তা বাস্তবায়িত হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুসারে বালিয়াড়িতে স্থাপিত বিভিন্ন স্থাপনাও দুই দফায় উচ্ছেদ করা হয়। তবে তার অভিযোগ, সেই নির্দেশনার পরও কক্সবাজার পৌরসভা একটি প্রকল্প গ্রহণ করে বালিয়াড়ির ভেতরে নির্মাণকাজ করছে। এর মাধ্যমে আদালতের আদেশ অমান্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে এইচআরপিবি আদালত অবমাননার আবেদন করেছে।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করলে আদালত মামলাটি শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করে।
মনজিল মোরসেদ বলেন, ২৪ আগস্টের পর আবারও বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ করে সমুদ্রসৈকত দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি আদালত অবমাননার শামিল।
এদিকে, একই বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছে। আদালত আগামীকাল আদালত অবমাননার মামলার পাশাপাশি ওই রিটেরও শুনানি গ্রহণ করবে।


